০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় শেরপুরে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার: গ্রেপ্তার ২

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৬৬ Time View

স্টাফ রিপোর্টার,

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে কষ্টি পাথরের একটি মূর্তি উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১২। রবিবার ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের দক্ষিণ আমইন গ্রামের সোনালী পুকুর পাড়ের মাছের খাদ্য মজুদ রাখার মেশিন ঘর থেকে প্রায় ১৯০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মূর্তি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন , পুকুরের মালিক (লীজ গ্রহীতা) আবুল বাশার রুবেল (৫৫) ও বিক্রির সহায়তাকারী আল আমিন (৪৮)। রুবেল শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া ফরেষ্টগেট এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে ও আল আমিন সিরাজগঞ্জ সদরের মৃত আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ বছর আগে পুকুরটি সংস্কার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে পুকুর সংস্কারের সময়ে তারা মূর্তিটি পায়। পরবর্তিতে পুকুর লিজ গ্রহীতা মূর্তিটি বিক্রির জন্য বিভিন্ন ক্রেতাকে দেখান। মূর্তিটি বিক্রির কথা লোকমুখে ফাঁস হলে র‌্যাব-১২ এর একটি গোয়েন্দা দল গোপন ভাবে তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত করেন।বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরবর্তিতে তারা বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মূর্তিটি উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহম্মেদ জানান,উদ্ধারকৃত মূর্তির ওজন প্রায় ১৯০ কেজি এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় শেরপুরে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার: গ্রেপ্তার ২

Update Time : ১১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার,

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে কষ্টি পাথরের একটি মূর্তি উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১২। রবিবার ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের দক্ষিণ আমইন গ্রামের সোনালী পুকুর পাড়ের মাছের খাদ্য মজুদ রাখার মেশিন ঘর থেকে প্রায় ১৯০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মূর্তি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন , পুকুরের মালিক (লীজ গ্রহীতা) আবুল বাশার রুবেল (৫৫) ও বিক্রির সহায়তাকারী আল আমিন (৪৮)। রুবেল শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া ফরেষ্টগেট এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে ও আল আমিন সিরাজগঞ্জ সদরের মৃত আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ বছর আগে পুকুরটি সংস্কার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে পুকুর সংস্কারের সময়ে তারা মূর্তিটি পায়। পরবর্তিতে পুকুর লিজ গ্রহীতা মূর্তিটি বিক্রির জন্য বিভিন্ন ক্রেতাকে দেখান। মূর্তিটি বিক্রির কথা লোকমুখে ফাঁস হলে র‌্যাব-১২ এর একটি গোয়েন্দা দল গোপন ভাবে তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত করেন।বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরবর্তিতে তারা বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মূর্তিটি উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহম্মেদ জানান,উদ্ধারকৃত মূর্তির ওজন প্রায় ১৯০ কেজি এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।