নন্দীগ্রামে আনসার সদস্য’র পিতাকে বেধড়ক মারপিট, থানায় অভিযোগ
- Update Time : ০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
- / ২৮২ Time View

নন্দীগ্রাম(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার নন্দীগ্রামে আনসার সদস্য’র পিতাকে বেধড়ক মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। ১৯ জুলাই শনিবার নন্দীগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ করেন মারপিটের ঘটনায় শিকার হওয়া নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪নং থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরপাড়ার মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে শাহজাহান আলী। অভিযোগে শাহজাহান আলী উল্লেখ করেন, থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরপাড়ার মৃত জোব্বার ফকিরের তিন ছেলে রাজ্জাক, ইয়াকুব আলী ও ইউসুফ, এবং একই এলাকার বাদু মিয়ার ছেলে তোজাম্মেল, রাজ্জাকের ছেলে ইছাহক আলী তাদের সাথে আমার পূর্ব হতে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত ১৬জুলাই অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তি মোটর সাইকেলযোগে এসে আমার নিকট ১নং বিবাদীর নিকট টাকা পাওনা আছে জানিয়ে তার বাড়ীর খোঁজখবর করে। ঐদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে এলাকার স্থানীয় জিল্লুর দোকানের সামনে উল্লিখিত বিষয়ে কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে ১নং বিবাদী আমাকে চড়থাপ্পর মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলাফেলা জখম করে। এরপর আমি বাড়ীতে চলে যাওয়ার চেষ্টা কালে উপরোক্ত সকল বিবাদীগণ একই উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার পথরোধ কারে। ১নং বিবাদীর হুকুমে সকল বিবাদীগণ আমাকে মারধর করে শুরু করে। ১নং বিবাদীর হাতে থাকা স্টিলের লাইট দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় আঘাত করলে আমি মাথা অন্য দিকে সরিয়ে নেওয়ায় আঘাতটি আমার ঠোঁটে লেগে রক্তাক্ত জখম হয়। ২নং ও ৩নং বিবাদীদ্বয়ের হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমার পিঠ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করে। ৪নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমার বাম পায়ের হাঁটুর নিচে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। ৫নং বিবাদীর হাতে থাকা লাঠি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় আঘাত করে ফোলা জখম করে। এক পর্যায়ে আমার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগণ আমাকে খুন জখমের হুমকি প্রদান করে চলে যায়। পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে সেখান থেকে আমাকে উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে নন্দীগ্রাম প্রশাসনের নিকট দ্রুত তদন্ত করে সহযোগীতা কামনা করেছেন আনসার সদস্য’র পিতা শাজাহান আলী।এবিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার তদন্ত অফিসার এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













