০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ : গণজোয়ারে ভাসছে রাজধানী

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / ২২৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারা দেশের রাজনৈতিক জ্বরকে আরো চাঙ্গা করে দিল জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ। আজ (১৯ জুলাই) বিশাল সমারোহে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দিনব্যাপী সম্পন্ন হয়ে গেলো জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ। সমাবেশে সারা দেশের ৬৪ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন দলটির সকল নেতাকর্মী বৃন্দ। স্বতঃস্ফূর্ত এই সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয় দেশের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদেরও। আমন্ত্রনে সমাবেশে উপস্থিত হন এনসিপি, ন্যাপ, জাগপা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম, গণধিকার পরিষদ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্রশিবির সহ দেশের উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠন।
দিনব্যাপী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জুলাই বিপ্লবের শহীদদের পরিবার, আহত জুলাই যোদ্ধা, ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তারা বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে হবে। দল মত নির্বিশেষে সবাইকে দেশের দায়িত্ব নিতে হবে। জুলাই যোদ্ধাদের বিষয়ে কোন রকম অবহেলা মেনে নেয়া হবে না। নতুন করে মাথাটা মাথা চাড়া দিতে পারে এমন প্রতিটি প্রসঙ্গে সরকারের কঠোর ভূমিকা এবং গণসচেতনতার আহবান জানান তারা। পাশাপাশি পতিত স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে মিডিয়া এবং মাঠে যারা অতি সুশীলের ভুমিকা দারণ করছেন তাদের হুশিয়ার করা হয়।
বক্তব্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম শহীদ পরিবারের পূরণ এবং বিচার প্রদানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কাল ক্ষেপন না করে জুলাই ঘোষণা দেয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত জুলাই বিপ্লবের অন্যতম কান্ডারী সারজিস আলম বলেন, ” ফ্যাসিবাদের সাথে কোন রকম আপষ নয়। যে ভয়ানক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন থেকে জীবনের বিনিময়ে দেশকে মুক্ত করা হয়েছে। জনগণ কিছুতেই তাকে আর প্রশ্রয় দেবে না। ”
এসময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতারুজ্জামান বলেন, ” ক্ষমতার পালাবদল নয় বরং ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য আন্দোলন হয়েছে” তিনি ফ্যাসিবাদী সকল শক্তিকে রুখে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। নির্বাচনের জন্য ভি আর পদ্ধতির প্রতি জোড় দেন তিনি। আরো বলেন কোন রকম ধর্মভিত্তিক নির্যাতন এদেশে চলতে দেয়া হবে না। জুলাই হামলার উপযুক্ত বিচারের দাবি রাখেন তিনি।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ সাহেব বলেন, ইসলামের পতাকাতলে সকলে একত্রে কাজ করতে আগ্রহী তার দল। যুবসমাজকে আবু সাইদ, মুগ্ধ, ইয়ামিনদের মত দেশাত্মবোধক চেতনার অধিকারি হবার আহ্বান জানিয়েছেন। যুবসমাজকে দেশসেবায় আত্ননিয়োগের আহ্বান জানান প্রবীন এই নেতা।
এসময় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াত সবসময় দেশের কল্যাণে কাজ করেছে। সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি নতুন ইনসাফ ভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে চায় জামায়াত। দলের নায়েবে আমীর আব্দুল্লাহ তাহের বলেন, ” ভি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে, জনগন সবার মতলব বুঝে গেছে সমানের নির্বাচন হবে জনতার শক্তির প্রতিফলন কারো পাবন্দী করবে না বাংলাদেশের জনগন”। বক্তব্যে হেফাজতে ইসলামের ইসলামের নায়েবে আমীর বলেন, মজলুম জনতার অধিকার রক্ষার্থে ইসলামী শক্তির ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। দাবি করেছেন ১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যার বিচার। আরো বলেন, মানবাধিকারের নামধারণ করে বামপন্থী ইসলাম ও জন বিরোধী কোন অপচর্চার সুযোগ নেই এদেশে।
জামাতের নায়েবে আমীর মুজিবর রহমান বলেন, আল্লাহর দুনিয়ায় আল্লাহর আইন প্রচলিত হবে ইসলামী আইন কায়েমের মাধ্যমে মাধ্যমে সকল অন্যায়ের সরাসরি প্রতিরোধ করা হবে। সর্বস্তরের জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন ” আগামীর বাংলাদেশ চাঁদা চাইলে জীবন শেষ।” নির্বাহী পরিষদের সদস্য জনাব এটিম আজাহারুল ইসলাম বলেন, জুডিসিয়াল কিলিং এবং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে জুলুম নির্যাতন করে জাময়াতে ইসলামীকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, ” মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন আল্লাহর আইন ছাড়া সম্ভব নয়। মানুষের আইনে পক্ষ পাত আছে অথচ আল্লাহর আইন সবার জন্য সমান এবং এটিই ভারসাম্যের একমাত্র ভিত্তি।”
প্রধান অতিথির ভাষনে আমীরে জাময়াত ড. শফিকুর রহমান বক্তব্যের শুরুতে জুলাই বিপ্লবীদের প্রতি ঋণগ্রস্থতা প্রকাশ করেন। আমীর জানান, তাদের দ্বায়িত্ব নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তিনি বলেন, ” বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দলনের যোদ্ধাদের ছোট করে দেখা মানে দেশের স্বার্বভৌমত্বকে এবং জনতার দেশপ্রেমক অপমান করা। ফ্যাসিবাদের পর তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ২য় যুদ্ধের আহ্বান করেছেন” এরপর হঠাৎ শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন আমীরে জামায়াত। জানা যায় অতিরিক্ত গরম এর কারণে এমনটি হয়।
সর্বপরি সারা দেশ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই সমাবেশ। হয়তো এর মাধ্যমে একটি প্রশ্নের সহজ উত্তর মিলবে, আর তা হল কেবলমাত্র ২ একটি দলের মধ্যে দেশের সার্বভৌম ক্ষমতাকে গুণ্ডিবদ্ধ করতে চায় না। অনেকটাই বাড়বে তৃতীয় ধাপে থাকা সংগ্রামী নতুন রাজনৈতিক দলগুলো জনপ্রিয়তা। জনগণের ক্ষমতায়ন এবং অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত রাজনৈতিক প্রচেষ্টা হয়তো পাল্টে দিতে পারে দেশের একতরফা রাজনীতির গতিপথ। জাতীয় ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধতা এবং ছোট ছোট প্রগতিশীল দলগুলোর উত্থান জনগণকে সরকারযন্ত্রের আরো কাছে টানবে এবং বৃদ্ধি করবে জবাবদিহিতা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ : গণজোয়ারে ভাসছে রাজধানী

Update Time : ১০:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারা দেশের রাজনৈতিক জ্বরকে আরো চাঙ্গা করে দিল জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ। আজ (১৯ জুলাই) বিশাল সমারোহে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দিনব্যাপী সম্পন্ন হয়ে গেলো জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ। সমাবেশে সারা দেশের ৬৪ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন দলটির সকল নেতাকর্মী বৃন্দ। স্বতঃস্ফূর্ত এই সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয় দেশের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদেরও। আমন্ত্রনে সমাবেশে উপস্থিত হন এনসিপি, ন্যাপ, জাগপা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম, গণধিকার পরিষদ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্রশিবির সহ দেশের উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠন।
দিনব্যাপী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জুলাই বিপ্লবের শহীদদের পরিবার, আহত জুলাই যোদ্ধা, ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তারা বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে হবে। দল মত নির্বিশেষে সবাইকে দেশের দায়িত্ব নিতে হবে। জুলাই যোদ্ধাদের বিষয়ে কোন রকম অবহেলা মেনে নেয়া হবে না। নতুন করে মাথাটা মাথা চাড়া দিতে পারে এমন প্রতিটি প্রসঙ্গে সরকারের কঠোর ভূমিকা এবং গণসচেতনতার আহবান জানান তারা। পাশাপাশি পতিত স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে মিডিয়া এবং মাঠে যারা অতি সুশীলের ভুমিকা দারণ করছেন তাদের হুশিয়ার করা হয়।
বক্তব্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম শহীদ পরিবারের পূরণ এবং বিচার প্রদানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কাল ক্ষেপন না করে জুলাই ঘোষণা দেয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত জুলাই বিপ্লবের অন্যতম কান্ডারী সারজিস আলম বলেন, ” ফ্যাসিবাদের সাথে কোন রকম আপষ নয়। যে ভয়ানক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন থেকে জীবনের বিনিময়ে দেশকে মুক্ত করা হয়েছে। জনগণ কিছুতেই তাকে আর প্রশ্রয় দেবে না। ”
এসময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতারুজ্জামান বলেন, ” ক্ষমতার পালাবদল নয় বরং ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য আন্দোলন হয়েছে” তিনি ফ্যাসিবাদী সকল শক্তিকে রুখে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। নির্বাচনের জন্য ভি আর পদ্ধতির প্রতি জোড় দেন তিনি। আরো বলেন কোন রকম ধর্মভিত্তিক নির্যাতন এদেশে চলতে দেয়া হবে না। জুলাই হামলার উপযুক্ত বিচারের দাবি রাখেন তিনি।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ সাহেব বলেন, ইসলামের পতাকাতলে সকলে একত্রে কাজ করতে আগ্রহী তার দল। যুবসমাজকে আবু সাইদ, মুগ্ধ, ইয়ামিনদের মত দেশাত্মবোধক চেতনার অধিকারি হবার আহ্বান জানিয়েছেন। যুবসমাজকে দেশসেবায় আত্ননিয়োগের আহ্বান জানান প্রবীন এই নেতা।
এসময় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াত সবসময় দেশের কল্যাণে কাজ করেছে। সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি নতুন ইনসাফ ভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে চায় জামায়াত। দলের নায়েবে আমীর আব্দুল্লাহ তাহের বলেন, ” ভি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে, জনগন সবার মতলব বুঝে গেছে সমানের নির্বাচন হবে জনতার শক্তির প্রতিফলন কারো পাবন্দী করবে না বাংলাদেশের জনগন”। বক্তব্যে হেফাজতে ইসলামের ইসলামের নায়েবে আমীর বলেন, মজলুম জনতার অধিকার রক্ষার্থে ইসলামী শক্তির ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। দাবি করেছেন ১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যার বিচার। আরো বলেন, মানবাধিকারের নামধারণ করে বামপন্থী ইসলাম ও জন বিরোধী কোন অপচর্চার সুযোগ নেই এদেশে।
জামাতের নায়েবে আমীর মুজিবর রহমান বলেন, আল্লাহর দুনিয়ায় আল্লাহর আইন প্রচলিত হবে ইসলামী আইন কায়েমের মাধ্যমে মাধ্যমে সকল অন্যায়ের সরাসরি প্রতিরোধ করা হবে। সর্বস্তরের জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন ” আগামীর বাংলাদেশ চাঁদা চাইলে জীবন শেষ।” নির্বাহী পরিষদের সদস্য জনাব এটিম আজাহারুল ইসলাম বলেন, জুডিসিয়াল কিলিং এবং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে জুলুম নির্যাতন করে জাময়াতে ইসলামীকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, ” মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন আল্লাহর আইন ছাড়া সম্ভব নয়। মানুষের আইনে পক্ষ পাত আছে অথচ আল্লাহর আইন সবার জন্য সমান এবং এটিই ভারসাম্যের একমাত্র ভিত্তি।”
প্রধান অতিথির ভাষনে আমীরে জাময়াত ড. শফিকুর রহমান বক্তব্যের শুরুতে জুলাই বিপ্লবীদের প্রতি ঋণগ্রস্থতা প্রকাশ করেন। আমীর জানান, তাদের দ্বায়িত্ব নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তিনি বলেন, ” বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দলনের যোদ্ধাদের ছোট করে দেখা মানে দেশের স্বার্বভৌমত্বকে এবং জনতার দেশপ্রেমক অপমান করা। ফ্যাসিবাদের পর তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ২য় যুদ্ধের আহ্বান করেছেন” এরপর হঠাৎ শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন আমীরে জামায়াত। জানা যায় অতিরিক্ত গরম এর কারণে এমনটি হয়।
সর্বপরি সারা দেশ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই সমাবেশ। হয়তো এর মাধ্যমে একটি প্রশ্নের সহজ উত্তর মিলবে, আর তা হল কেবলমাত্র ২ একটি দলের মধ্যে দেশের সার্বভৌম ক্ষমতাকে গুণ্ডিবদ্ধ করতে চায় না। অনেকটাই বাড়বে তৃতীয় ধাপে থাকা সংগ্রামী নতুন রাজনৈতিক দলগুলো জনপ্রিয়তা। জনগণের ক্ষমতায়ন এবং অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত রাজনৈতিক প্রচেষ্টা হয়তো পাল্টে দিতে পারে দেশের একতরফা রাজনীতির গতিপথ। জাতীয় ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধতা এবং ছোট ছোট প্রগতিশীল দলগুলোর উত্থান জনগণকে সরকারযন্ত্রের আরো কাছে টানবে এবং বৃদ্ধি করবে জবাবদিহিতা।